কম্পিউটারের ইতিহাস
এমন একটি যন্ত্রের নিমান ও ব্যাবহারের ধারনা (যা কেবলমাত্র যান্ত্রিকভাবে মানে যে কোনও রকম বুদ্ধিমত্তা ব্যাতিরেকে,গানিতিক হিসাব করতে পারে ) প্রথম সোচ্চার ভাবে প্রচার করেন চার্লস ব্যাবেজ যদিও তার জীবদ্দশায় তিনি এর প্রয়োগ দেখে পারেননি । কম্পিউটার বিজ্ঞানের সত্যিকার সুচনা হয় অ্যালান টুরিং এর প্রথমে তাত্ত্বিক ও পরে ব্যাবহারিক গবেষনার মাধ্যমে । বর্তমান প্রযুক্তিতে কম্পিউটারের আবদানের অন্তরালে রয়েছে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মানুষ নিরলস পরিশ্রম ,উদ্ভাবনী শক্তি ও গবেষণা স্বাক্ষর । প্রগৈতিহাসিক যুগে গননার যন্ত্র উদ্ভাবিত বিভিন্ন কৈশল/ প্রচেষটাকে কম্পিউটার ইতিহাস বলাযায় । প্রাচিন কালে মানুষ সংখ্যা বুঝানোর জন্য ঝিনুক,নুড়ি,দড়ির গিট ইত্যাদি ব্যাবহার করত । পরবর্তিতে গননার কাজে বিভিন্ন কৌশল ও যন্ত্র ব্যাবহার করে থাকলেও অ্যাবাকাস (Abacus) নামক একটি প্রচীন গননা যন্ত্রকেই কম্পিউটারের ইতিহাসে প্রথম যন্ত্র হিসাবে ধরা হয়। ওর্থাৎ অ্যাবাকাস থেকেই কম্পিউটার হতিহাসের শুভজাত্রা অ্যাবাকাস ফ্রেমে সাজানো স্থান পরিবর্তন করে গণনা করার যন্ত্র ।খ্রি পূব ৪৫০/৫০০ অব্দে মিশন/চীনে গণনা যন্ত্র জিসেবে অ্যাবাকাস তৈরি হয়।
১৬১৭ সালে স্কটল্যান্ডের গনিতবিদ জন নেপিয়ার (John Napier) গননা কাজে ছাপা বা দাগ কাটাকাটি / দন্ড ব্যাবহার করেন এসব দন্ড নেপিয়ার (John Napier) এর অস্থি নামে পরিচিত।
১৬৪২ সালে ১৯ বছর বয়স্ক ফরাসি বিঞ্জানী প্যাসকেল(Blaise Pascal) সর্বপ্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর অবিস্কার করেন তিনি দাঁতযুক্ত চাকা বা গিয়ারের সাহযো যোগ বিয়োগ করার পদ্ধতি চালু করেন।
১৬৭১ সালের জার্মান গানিতবিদ হটফ্রাইড ভন লিবনিজ (Gottfried Von Leibniz) প্যাসকেলের যন্ত্রের ভিত্তিতে চাকা ও দন্ড ব্যাবহার করে গন ও ভাগের ক্ষমতাসম্পন্ন আরো উন্নত যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর তৈরি করেন । তিনি যন্ত্রটির নামদেন রিকোনিং যন্ত্র (Rechoning Mechine) যন্ত্রটি তত্বগত দিক দিয়ে ভাল হ্লেও যান্ত্রিক আসুবিধার জন্য জনপ্রিয় হয়ে উঠেনি।
পরে ১৮২০ সালে টামাস ডি কোমার Bjgtut (Tomas De Colmar)রিকোনিং যন্ত্রের অসুবিধা দূর করে লাইবানজের যন্ত্রকে জনপ্রিয় করে তোলেন
এর পর ইংল্যান্ডের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক চার্লস ব্যাবেজ (Charles babbage) 1823 সালে ডিফারেন্স ইঞ্জিন (Difference Engine) বা বিয়োগফল ভিত্তিক গননার যন্ত্র উদ্ভাবন করেন।
কম্পিউটার বিজ্ঞানের সূচনা
কম্পিউটার বিজ্ঞানের সত্যিকার সূচনা হয় অ্যালান টুরিং (Alan Turing) এর প্রথমে তাত্ত্বিক ও পরে ব্যবহারিক গবেষণার মাধ্যমে। বিশ শতকের মধ্যভাগ থেকে আধুনিক কম্পিউটারের বিকাশ ঘটতে শুরু করে। ১৯৭১ সালে মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবনের ফলে মাইক্রোকম্পিউটারের দ্রুত বিকাশ ঘটতে থাকে। বাজারে প্রচলিত হয় বিভিন্ন প্রকৃতি ও আকারের কম দামের অনেক রকম পার্সোনাল কম্পিউটার (Personal Computer) বা পিসি (PC).সেই সঙ্গে উদ্ভাবিত হয়েছে অনেক রকম অপারেটিং সিস্টেম (Operating System), প্রোগ্রামের ভাষা (Programming Language), অগণিত ব্যবহারিক প্যাকেজ প্রোগ্রাম। এর সাথে ব্যাপকভাবে বিস্তৃতি ঘটেছে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেটের এবং সংশ্লিষ্ট সেবা ও পরিসেবার। কম্পিউটার শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত ও সম্প্রসারিত হয়েছে অসংখ্য প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক কম্পিউটার শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান। সাম্প্রতিক কালে কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি (Information Technology) বা আইটি (IT) ব্যবসা বাণিজ্যের বিরাট অংশ দখল করেছে এবং কর্মসংস্থান হয়ে পড়েছে অনেকাংশেই কম্পিউটার নির্ভর।
computer history





0 Comments